Text size A A A
Color C C C C
পাতা

সিটিজেন চার্টার

 

ক। বন্দীদের সাথে দেখা সাক্ষাতের নিয়মাবলীঃ-

 

১।  ডিটেন্যূ ও নিরাপদ হেফাজতী বন্দীদের সাথে দেখা করতে হলে সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট ও আদালতের অনুমতি প্রয়োজন।

            ২। দেখা সাক্ষাত সর্বোচ্চ ৩০ মিনিটের মধ্যে শেষ করতে হবে।

৩। বন্দীদের সাথে দেখা করার জন্য কোন প্রকার টাকা লেনদেন নিষিদ্ধ। কাহাকেও টাকা দেয়া যাবে না কেউ টাকা দাবী করলে সঙ্গে                    সঙ্গে সিটিজেন চার্টারে লিখিত টেলিফোন নাম্বারে জানাতে হবে অথবা অনুসন্ধানে রক্ষিত অভিযোগ রেজিষ্টারে লিপিবদ্ধ করতে হবে।

             ৪। মোবাইল বা অন্য কোন নিষিদ্ধ দ্রব্য নিয়ে সাক্ষাত কক্ষে প্রবেশ করা যাবে না।

৫। সাক্ষাত করার জন্য আবেদন পত্র দাখিল করতে হয়। কেউ যদি আবেদন পত্র লিখতে না পারেন তাহলে সাক্ষাত কক্ষের পাশ্বে নিয়োজিত প্রধান কারারক্ষীর নিকট হতে ২ টাকার বিনিময়ে স্লিপ সংগ্রহ করে সাক্ষাত কক্ষে প্রবেশ করবেন।

৬। সাক্ষাত প্রাথীদের  সহজ ও ন্যায্য মূল্যে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সরবরাহের লক্ষ্যে সাক্ষাত কক্ষের পার্শেব ক্যান্টিন রয়েছে। ক্যান্টিনে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ন্যায্য মূল্যে বিক্রয় হয় । যে কেউ ক্যান্টিন হতে মালামাল ক্রয় করে বন্দীকে সরবরাহ করতে পারেন।

 

খ। বনদীর নিকট মালামাল সরবরাহের নিয়মাবলীঃ-

১। বন্দীর নিকট মালামাল সরবরাহের নিমিত্তে মালামাল তালিকায় লিষ্ট করে কর্তব্যরত নাম ও নাম্বার যুক্ত কারারক্ষীর নিকট জমা দিতে হবে। এ  জন্য সার্ভিস চার্জ হিসাবে ২ টাকা প্রদান করতে হবে।

 ২। বন্দীর আত্নীয় স্বজনদের  দেয় মালামাল যত্নের সাথে বন্দীর নিকট পৌছানোর ব্যবস্থা করা হয়।

৩। মালামাল বন্দীর নিকট পৌঁছানোর জন্য কোন প্রকার অর্থের প্রয়োজন হয়না। কেউ টাকা দাবী করলে সঙ্গে সঙ্গে সিটিজেন চার্টারে লিখিত টেলিফোন নাম্বারে জানাতে হবে অথবা অনুসন্ধানে রক্ষিত অভিযোগ রেজিষ্টারে লিপিবদ্ধ করতে হবে।

৪। কেউ মালামালের ভিতরে কোন প্রকার অবৈধ দ্রব্য সরবরাহ করার চেষ্টা করতে পারবে না। মালামাল  যাচাই করে বন্দীর নিকট হস্তান্তর করা হয়। জমাদান কালে যদি অবৈধ মালামাল পাওয়া যায় তবে সরবরাহ কারীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। কারাভ্যন্তরে প্রবেশের পর যদি মালামালের ভিতরে অবৈধ দ্রব্যাদি পাওয়া গেলে কারা বিধি মোতাবেক বন্দীকে শাস্তি  প্রদান করা হবে।

 

গ। বন্দীদের জামিন সংক্রান্ত নিয়মাবলীঃ-

১। জামিনে মুক্তি প্রাপ্ত বন্দীদের তালিকা নোটিশ বোর্ডে টাঙ্গানো থাকে।

২। জামিন নামা কারাগারে পৌঁছানোর ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া সত্তেও নেটিশ বোর্ডে টাঙ্গানো তালিকায় বন্দীর নাম না থাকলে অনুসন্ধানে যোগাযোগ করতে হবে।

৩। যে সকল বন্দীর জামিন নামায় ভুল আছে তাদের তালিকা নোটিশ বোর্ডে টাঙ্গানো থাকে। তাদের পরদিন মুক্তি পাবার সম্ভাবনা থাকে। তাই অহেতুক অপেক্ষা না করে পরদিন আসতে হবে/ কোন বন্দী নির্ধারিত সময়ে মুক্ত না হলে অনুসন্ধানে যোগাযোগ করতে হবে।

৪। বন্দী মুক্তির ব্যাপারে কোন প্রয়োজন হয় না। যদি কেহ অর্থ দাবী করে বা অর্থের বিনিময়ে জামিন ত্বরান্নিত করে দিবে বলে আশ্বাস দেয় তবে তাৎক্ষনিক ভাবে বিষয়টি জেলারের মোবাইল নাম্বারে অথবা অনুসন্ধানে রক্ষিত অভিযোগ রেজিষ্টারে লিপিবদ্ধ করতে পারবে।

গ। ওকালত নামা স্বাক্ষরের নিয়মাবলীঃ-

            ১। ওকালত নামা নির্দিষ্ট বাক্সে ফেলতে হবে।

২। বন্দীর পূর্ন নাম ঠিকানা এবং মামলার বিবরণ লিখে বাক্সে জমা করতে হবে।

৩। জমা দেয়ার ০১ ঘন্টা পর ওকালত নামার বাক্স খোলে বন্দীর স্বাক্ষরান্তে  নির্দিষ্ট আইনজিবি বা তাহার আত্বীয়ের নিকট প্রদান করা হয়।

             ৪। ওকালত নামা সাক্ষরান্তে কোন সমস্যা হলে অনুসন্দানে যোগাযোগ করতে হবে।

 

ঘ। বিশ্রামাগারঃ-

             ১। বিশ্রামাগারে পর্যাপ্ত বসার ব্যবস্থা আছে।

            ২। বিশ্রামাগারে বৈদ্যুতিক পাখা , পানীয় জল এবং টয়লেটের ব্যবস্থা রয়েছে।

            ৩। অফিসে কোন সংবাদ পৌছানোর জন্য অনুসন্ধানে যোগাযোগ করতে হবে।

৪।  বিশ্রামাগারে অবস্থানের সময় কোন প্রকার অসুবিধা হলে কর্তব্যরত প্রধান কারারক্ষী/ কারারক্ষীকে অবহিত করতে হবে।